পাঠ প্রতিক্রিয়া - কেতন শেখ-এর অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ
পাঠ পর্যালোচনা
কেতন শেখ-এর অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ:
ভীতি, নাকি সময়ের বিবৃতি?
লেখনী - অয়ন আবদুল্লাহ
অতিপ্রাকৃত কিছু ঘটনার সম্মিলনে কবি, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার কেতন শেখ এর লেখা গল্পগ্রন্থ ‘অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ’। এক ছুটির দিনে সকালে বইটা হাতে নিয়ে বসে পড়লাম। ২০৮ পৃষ্ঠার দারুণ এই বইটি পড়লাম দুই দিন সময় নিয়ে। এমনিতে তেরো ফর্মার একটা বই পড়তে আমার একদিনের বেশি লাগে না। তবে কেতন শেখ এর এই বইটি একটু সময় নিয়ে পড়া দরকার মনে হলো।
এর কারণ অবশ্য একটা আছে। পাঠক যদি শুধুমাত্র ভূতের বই হিসেবে এই বইটাকে বিবেচনা করেন,
তাহলে সেটা বইটির প্রতি অবিচার করা হবে। বইটির প্রথম গল্পটি পড়ার পরেই আমার এই কথাটা
মনে হলো। তাই দুই দিন সময় নিয়ে বইটা পড়ে শেষ করলাম। এবং শেষ করার পরেই সবার আগে যেই
কথাটা মাথায় আসলো সেটা হচ্ছে- বইটার একটা পাঠ প্রতিক্রিয়া লেখা দরকার। এই মনে হওয়ারও
একটা কারণ আছে। কারণটা হচ্ছে এর বিষয়বস্তু। লেখক কেতন শেখ এই বইটির প্রতিটি গল্পে অতিপ্রাকৃতের
মাঝে জীবনের যে গহীন বিশ্লেষণ অঙ্কিত করেছেন, সেটার জন্য কিছু কথা লেখা প্রয়োজন বলে
আমি মনে করেছি। যার ফলশ্রুতিতে এই পাঠ-প্রতিক্রিয়া লেখা শুরু করলাম।
মূল লেখার আগে অতিপ্রাকৃত বিষয়টা নিয়ে সামান্য কিছু কথা বলা যাক। অতিপ্রাকৃত মানে যে ভীতিকর একটা বিষয়, সেটা তো আমরা জানিই। তবে এটাকে শুধু ভীতিকর বিষয় বলাই কি যুক্তিযুক্ত হবে? আমার সেটা মনে হয় না। এর সাথে আরো কিছু আছে, থাকতে বাধ্য।
এই যেমন প্রমথ নাথ বিশী বলছেন,’অতিপ্রাকৃত একটি বিশেষ রস। তাহাতে রোমাঞ্চ হইবে, গা শিরশির করিয়া উঠিবে, পিছনে তাকাইতে ভয় হবে অথচ লোভ সংবরণ করাও যাইবে না।’ আবার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, 'জীবনে অনেক জিনিস ঘটে, যাহার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। তাহাকে আমরা অতিপ্রাকৃত বলিয়া অভিহিত করি। জানি না, হয়তো খুঁজিতে জানিলে তাহাদের সহজ ও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক কারণ বাহির করা যায়। মানুষের বিচার, বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতালব্ধ কারণগুলো ছাড়া অন্য কারণ হয়তো তাহাদের থাকিতে পারে। ইহা লইয়া তর্ক উঠাইবো না, শুধু এইটিকি বলিবো, সেরূপ কারণ যদিও থাকে, আমাদের মতো সাধারণ মানুষের দ্বারা তাহার আবিষ্কার হওয়া সম্ভব নয় বলিয়াই তাহাদিগকে অতিপ্রাকৃত বলা হয়'।
এই দুই বিশিষ্ট ভদ্র মহোদয়ের মতানুসার ব্যাখ্যা করলে দাঁড়ায়, অতিপ্রাকৃত বিষয়টি হলো এমন ঘটনা বা সত্তা যা প্রকৃতির নিয়মের ভেতরে কার্যকর নয়। যদিও অনেক ক্ষেত্রেই এটিকে লোককাহিনী এবং ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে অনেকে দেখে থাকেন, তবে এটার ধর্মনিরপেক্ষ প্রেক্ষাপটেও থাকতে পারে বলে আমার মনে হয়।
অতিপ্রাকৃত গলপগুচ্ছের ভূমিকায় লেখা কেতন শেখের কিছু বক্তব্য এক্ষেত্রে
উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি বলছেন- অনেক ঘটনার কোনো যৌক্তিক বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
থাকে না। সেরকম অনেক ঘটনা ঘটে বা ঘটতে পারে, বা অন্তত আমরা প্রত্যাশা করি যে, তেমন
কিছু ঘটতে পারে এবং সেরকম কিছু ঘটলে মন্দ হয় না। … আমাদের চারপাশে হওয়া সেরকম অনেক
ঘটনারই কোনো বৈজ্ঞানিক বা যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই বলেই প্রকৃতি বলে কিছু আছে, আর আছে
প্রাকৃতিক এবং অতিপ্রাকৃত ভাবনা।
অর্থাৎ অতিপ্রাকৃত বিষয়টি যে শুধুমাত্র অলৌকিক বা অবাস্তব হবে, এমনটা না-ও হতে পারে। কারণ, অনেক সময় অনেক কিছু ঘটে যেটা আমাদের একটা ধন্দের মধ্যে ফেলে দেয়। সেই দ্বন্দ্ব মনের মধ্যে ঢুকে একটা আলাদা অর্থাৎ ভিন্ন এক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে, যার উত্তর না পাওয়ার ফলেই মূলত এই অতিপ্রাকৃত শব্দটা আমাদের অভিধানে স্থান পেয়ে গেছে। তবে অতিপ্রাকৃত বিষয়টা শুধু ভয় দেখিয়ে দূরেই ঠেলে দেয় না, বরং একটা কৌতূহল তৈরির মাধ্যমে কাছেও টানে।
তবে কেতন শেখ-এর এই বইটির নাম অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ হলেও এর প্রতিটি গল্পে
তিনি সমাজের বিভিন্ন অনুষঙ্গ যুক্ত করেছেন। বইটি পড়ার পর অন্তত আমার মনে হয়েছে, প্রতিটি
গল্পে ভয়ের গাঁদায় লেখক বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে একটি করে বার্তা লুকিয়ে রেখেছেন।
যেমন বইয়ের প্রথম গল্প ‘দ্বিপ্রহর’ এর কথাই ধরা যাক।
একটি পরিবার তাদের বয়োজ্যেষ্ঠ কর্তার আদেশ বা নির্দেশে পৈত্রিক ভিটেয় যাবার উদ্দেশ্যে বর্ষামুখর এক ভর দুপুরে স্পিডবোটে করে খরস্রোতা যমুনা নদী দিয়ে যাচ্ছিলো। সেই দলে পরিবারের লোকজন ব্যতিত একটি এতিম ছেলেও ছিলো বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটির দেখাশোনা করার জন্য। যেতে যেতেই স্পিডবোটের চালক জানায় এক ভীতিকর তথ্য। আজগড়া চরের লোকেদের ভাষ্যমতে বর্ষাকাল আর শরৎকালের দ্বিতীয় মাসে নদীর এই অঞ্চলে কোথাও একটা ঘূর্ণি হয়। সেই ঘূর্ণিতে চর ভাঙে, আর নাহলে নৌকা ডোবে। সেই ঘূর্ণিতে অনেক নৌকা ডুবেছে, অনেক প্রাণও নাকি গেছে। তবে স্পিডবোটের চালক আশ্বস্ত করে নদী সবার প্রাণ নেয় না। যার পিতৃপরিচয় নেই, শুধু তাদেরকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায় এই ঘূর্ণি।
এরপর সত্যি সত্যিই সেই স্পিডবোটটাও নদীর মাঝে ডুবোচরে আটকে যাওয়া একটা ট্রলারের সামনে আশ্চর্যজনকভাবে সেই ঘূর্ণির সম্মুখীন হয়। সেই ঘূর্ণিতে নদীতে পড়ে যায় এতিম ছেলেটি। তাকে বাঁচাতে বয়া হাতে নদীতে ঝাঁপ দেয় বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটির একমাত্র ছেলে। এই দৃশ্য দেখে আটকে পড়া ট্রলার থেকে আরো দু’জন লোক ঝাঁপ দেয় ওদেরকে বাঁচাতে। এখানটাতেই এসে পাঠকের চিন্তা উলটে যাবে, প্রশ্ন জাগবে, ভয়ের ঘোর কেটে গিয়ে কৌতূহল গেড়ে বসবে হৃদয়ে।
সেই কৌতুহলের জয় কতটুকু হবে, সেটা পাঠকের উপরই মূলত নির্ভর করে, এখানে লেখকের কোনো অবদান নেই। প্রতিটি গল্পে পাঠককে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্ন, আর ভাবনার সরঞ্জাম সযতনে রেখেছেন লেখক কেতন শেখ। সেই ভাবনার গভীরে পৌঁছাবার সার্থকতা নির্ভর করে পাঠকের বোধ ও মননের উপর। এক্ষেত্রে লেখক সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে রেখেছেন। পাঠকের কেবল সেটা অর্জন করে ব্যবহার করতে হবে।
যারা অতিপ্রাকৃত গল্পে রহস্য, ভৌতিকতা ছাড়াও ভিন্ন কিছু আশা করেন, তাদের জন্য কেতন শেখ এর অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ অবশ্যপাঠ্য। কেতন শেখ বাংলা সাহিত্যে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন। আশা করা যায়, ভবিষ্যতে তার লেখনী আমাদের আরও চমৎকৃত করবে।
আবার সেন্ট্রাল লাইন গল্পটির কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় লন্ডন থেকে দেশে ফিরতে পারছে না সাদেক। আর ভিসা না থাকায় সে আইনসম্মত চাকরিও করতে পারছে না। ভিসা পাওয়ার জন্য কুড়ি হাজার পাউন্ড খরচ করতে হবে। সেই কুড়ি হাজার পাউন্ড জোগাড়ের জন্য সাদেক অবৈধ মাল পাচারের কাজে যুক্ত হয়। একদিন ডেলিভারির সময় ট্রেনে ঘটে এক অদ্ভুত ঘটনা। ঘটনাটা আসলে আমার কাছে ভয়ের মনে হয়নি। আমার মনে হয় লেখকও হরর গল্প হিসেবে এটা লেখেননি। গল্পটার মধ্যে একটা ভিন্ন সাসপেন্স আছে। পাঠকের মনে এক অন্যরকম ভাবনা সৃষ্টি করতে সেই সাসপেন্সটাই মনে হয় লেখক ব্যবহার করেছেন। মানুষ তার জীবনের চির আকাঙ্ক্ষিত জিনিসটি পাওয়া বা না পাওয়া নিয়ে যে সম্ভাব্য দোলাচলে দুলতে থাকে। সেই দোদুল্যমান পরিস্থিতিতেও আসলে কীভাবে টিকে থাকতে হয় সেটা যেমন চিত্রিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই সেই কঠিন মুহূর্তে সাহসিকতার সাথে সিদ্ধান্ত নিতেও যে হয়, সেটা সুস্পষ্ট করেছেন লেখক কেতন শেখ।
অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ বইটি পাঠকদের এমন এক ভুবনে নিয়ে যায় যেখানে বাস্তবতা
এবং অতিপ্রাকৃতের সীমারেখা ঝাপসা হয়ে যায়। স্টুডেন্ট ওয়েজ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত
এই গ্রন্থে রয়েছে মোট ১৩টি গল্প, যা প্রতিটিই আলাদা স্বাদের। প্রতিটি গল্পে অতিপ্রাকৃত
উপাদানকে কেন্দ্র করে এমন কাহিনি গড়ে উঠেছে যা শুধু রোমাঞ্চকর নয়, বরং মানসিকতার
গভীর দিকগুলোও আবিষ্কার করে।
বইটির ভাষা সহজ, অথচ গভীর। কেতন শেখের লেখনীর জাদু পাঠকদের প্রথম থেকেই গল্পের ভেতরে টেনে নিয়ে যায়। গল্পের চরিত্রগুলো, তাদের মানসিক দ্বন্দ্ব, এবং অদ্ভুত সব পরিস্থিতি পাঠকদের মনে এক ধরনের উদ্বেগ ও বিস্ময় জাগায়। কখনো চিন্তার অতলে হারিয়ে যাওয়া, কখনো অজানা এক প্রশ্নের মুখোমুখি- গল্পগুলোতে এমন সব অনুভূতি স্থান পেয়েছে যা পাঠককে বই শেষ করার পরেও ভাবিয়ে তুলবে।
এই বই শুধুমাত্র অতিপ্রাকৃত প্রেমীদের জন্য নয়, বরং যারা গল্পের মাধ্যমে নতুন দৃষ্টিকোণ এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ খুঁজে পেতে চান, তাদের জন্যও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। এক কথায়, অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ কেবল একটি গল্পগ্রন্থ নয়, এটি পাঠকের অনুভূতির গভীরে এক অনন্য যাত্রা।
কেতন শেখের “অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ” শীর্ষক বইটি পাঠ করার পর এটি সম্পর্কে কিছু কথা বলা আবশ্যক। এই বইটি পাঠককে এক অন্যধারার অভিজ্ঞতার জগতে নিয়ে যায়, যেখানে বাস্তবতা আর কল্পনার মধ্যে সূক্ষ্ম সীমারেখা মুছে যায়।বইটিতে মোট ১৩টি গল্প রয়েছে, এবং প্রতিটি গল্পই ভিন্ন স্বাদের। গল্পগুলোর মূল উপজীব্য অতিপ্রাকৃত এবং রহস্যময় ঘটনা। কেতন শেখ পাঠকদের কল্পনার এক বিস্তৃত প্রাঙ্গণে নিয়ে যান, যেখানে রহস্য, ভয়ের মিশ্রণ এবং মানুষের মনস্তত্ত্বের গভীর বিশ্লেষণ উঠে এসেছে।
কেতন শেখের লেখনীতে একটি তীক্ষ্ণতা রয়েছে যা প্রতিটি গল্পে অনুভূত হয়। তিনি জটিল কাহিনিকেও সহজভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম। তার গল্পগুলোতে অতিপ্রাকৃত ঘটনার বিবরণ এতটাই জীবন্ত যে পাঠক কখনো কখনো নিজেকে সেই ঘটনাগুলোর কেন্দ্রস্থলে কল্পনা করতে বাধ্য হন। লেখকের ভাষা সহজ এবং সাবলীল, যা পাঠকদের আকর্ষণ ধরে রাখে। সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি, কেতন শেখ তার গল্পে প্রশ্ন উত্থাপন করেন শব্দের সারল্যের ভেতর দিয়ে। যার ফলে পাঠক যেমন গল্পগুলো পাঠ করে আনন্দিত হবেন ঠিক তেমনিভাবে পুলকিত হবেন নতুন বৈচিত্র্যময়তায়।বইটি প্রকাশ করেছে স্টুডেন্ট ওয়েজ প্রকাশনী। প্রচ্ছদ ডিজাইনটি আকর্ষণীয় হলেও আমার মনে হয় গল্পগুলো না পড়েই শিল্পী প্রচ্ছদ এঁকেছেন। যদিও এক্ষেত্রে বলার কিছু নেই। বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রচ্ছদশিল্পীই মূল বই বা পাণ্ডুলিপি না পড়েই প্রচ্ছদ করেন, সময়ের অযুহাতে। তবে বইটির গল্পগুলো বেশ মানসম্পন্ন। পড়ে মনে হয়েছে গল্পগুলো সরাসরি মানুষের ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বইটির মুদ্রণ গুণগত মান ভালো এবং পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস পাঠের জন্য সুবিধাজনক। তবে বানানগত কিছু সমস্যা রয়েছে, সেটা পরবর্তী সংস্করণে থাকবে না বলে আশা করছি। প্রচ্ছদ করেছেন সোহানুর রহমান অনন্ত।
“অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ” এমন একটি বই, যা অতিপ্রাকৃত গল্প ভালোবাসেন, এমন পাঠকদের মুগ্ধ করবে। কেতন শেখ তার সৃজনশীলতা এবং কল্পনার মেলবন্ধনে পাঠকদের এমন এক দুনিয়ায় নিয়ে গেছেন যা ভয়ের হলেও আকর্ষণীয়। তবে, কোথাও কোথাও কিছু গল্প হয়তো একটু দীর্ঘ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু তা বইয়ের সামগ্রিক রস আস্বাদনে বড় কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।
কেতন শেখের সাহিত্যকর্ম বরাবরই পাঠকদের মনের গভীরে নাড়া দিয়ে যায়। তার লেখার মধ্যে নিহিত থাকে জীবনের বহুমাত্রিক রূপ, যা কখনো দর্শন, কখনো অনুভূতি, আবার কখনো বাস্তব আর কল্পনার সূক্ষ্ম মেলবন্ধনে এক নতুন জগতের দরজা খুলে দেয়। সম্প্রতি প্রকাশিত তার গল্পগ্রন্থ অতিপ্রাকৃত গল্পগুচ্ছ সেই ধারা আরও শক্তিশালী করেছে।
স্বত্ব - কেতন শেখ





Comments
Post a Comment